2nd Semester Sanskrit Short Question Suggestion 2026

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের কাছে 2nd Semester Sanskrit Short Question Suggestion 2026 করুণ। সংস্কৃত বিষয় অনেকের কাছে কঠিন মনে হলেও সঠিক নোটস এবং সাজেশন থাকলে সহজেই ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব।

Class XII 2nd Semester Sanskrit Short Question Suggestion 2026

একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেশন 2026 প্রতিজ্ঞাসাধনম্ গদ্যাংশ থেকে 2 নাম্বারের প্রশ্ন উত্তর

(পূর্ণমান-2)

প্রশ্নঃ প্রতিজ্ঞাসাধনম্ গ্রন্থের উৎস কী? সেই গ্রন্থটির প্রণেতা কেঃ

উত্তরঃ ‘প্রতিজ্ঞাসাধনম্’ গদ্যাংশটি ‘শিবরাজবিজয়ম্’ নামক ঐতিহাসিক উপন্যাসের প্রথম বিরামের চতুর্থ নিঃশ্বাস থেকে গৃহীত হয়েছে। সেই গ্রন্থের প্রণেতা হলেন সাহিত্যাচার্য পণ্ডিত অম্বিকাদত্তব্যাস।

প্রশ্নঃ প্রতিজ্ঞাসাধনম্ কাহিনিতে কার কোথায় যাত্রার কথা বর্ণিত হয়েছে?

উত্তরঃ ‘প্রতিজ্ঞাসাধনম্’ কাহিনিতে শিববীরের এক বিশ্বাসী চরের সিংহদুর্গ থেকে তোরণদুর্গের প্রতি যাত্রাপথের ঘটনার কথা বর্ণিত হয়েছে।

প্রশ্নঃ শিববীরের একজন বিশ্বস্ত অনুচর কখন, কী নিয়ে তোরণদূর্গে যাচ্ছিলেন?

উত্তরঃ শিববীরের একজন বিশ্বস্ত অনুচর আষাঢ় মাসের এক ঝঞ্ঝাবিপর্যস্ত সন্ধ্যায় তাঁরই পত্র নিয়ে তোরণদুর্গে যাচ্ছিলেন।

প্রশ্নঃ প্রতিজ্ঞাসাধনম্ গদ্যাংশে কোন্ মাসের এবং কোন্ সময়ের বর্ণনা দেখা যায়?

উত্তরঃ ‘প্রতিজ্ঞাসাধনম্’ গদ্যাংশে আষাঢ় মাসের এবং সন্ধ্যাবেলার বর্ণনা দেখা যায়।

প্রশ্নঃ সন্ধ্যাবেলা ভগবান ভাস্কর কোথায় গমনের ইচ্ছে করেন? তখন তাঁর বর্ণ কীরকম হয়?

উত্তরঃ সন্ধ্যাবেলা ভগবান ভাস্কর অস্তাচল গমনে ইচ্ছে করেন। তখন তিনি সিঁদুরের ন্যায় রক্তিম বর্ণ ধারণ করেন।

প্রশ্নঃ প্রতিজ্ঞাসাধনম্ পাঠ্যাংশটিতে কারা, কোথায় ফিরে আসছিল?

উত্তরঃ ‘প্রতিজ্ঞাসাধনম্’ পাঠ্যাংশটিতে চটক অর্থাৎ চড়ুইপাখির দল তাদের বাসায় ফিরে আসছিল।

প্রশ্নঃ চড়ুইপাখিরা কখন বাসায় ফিরছিল?

উত্তরঃ আষাঢ় মাসের সন্ধ্যার সময় যখন ভগবান সূর্য পশ্চিম আকাশে অস্ত যাচ্ছে, তখন চড়ুইরা তাদের বাসায় ফিরে আসছিল।

প্রশ্নঃ কোন্ স্থান প্রতি মুহূর্তে কৃষ্ণবর্ণ হয়ে উঠেছে? পর্বতশ্রেণির ন্যায় কে আবির্ভূত হল, গদ্যাংশানুসারে লেখো।

উত্তরঃ বিস্তৃত অরণ্য প্রতি মুহূর্তে অধিকতর কৃষ্ণবর্ণ হয়ে উঠেছে।পর্বতশ্রেণির ন্যায় মেঘরাজি আবির্ভূত হল।

প্রশ্নঃ কে, কেমনভাবে সমস্ত আকাশকে আচ্ছাদিত করেছিল?

উত্তরঃ মেঘমালা পর্বতশ্রেণির মতো সমস্ত আকাশকে আচ্ছাদিত করেছিল।

প্রশ্নঃ যুবকের বয়স কত ছিল?

উত্তরঃ যুবকটি ষোলো বছর বয়সি ছিল।

প্রশ্নঃ ষোলো বছর বয়সি ফরসা যুবকটি কীভাবে এবং কেন পর্বতশ্রেণির উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন?

উত্তরঃ ষোলো বছর বয়সি যুবকটি ছিল প্রভু শিববীরের অনুগত। তাই তিনি প্রভুর আদেশে এক পত্র নিয়ে ঘোড়ায় চড়ে পর্বতশ্রেণির উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন।

প্রশ্নঃ সুঘটিতদৃঢ়শরীরঃ‘ – কার সুগঠিত দৃঢ়শরীর? তার দেহের বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ পাঠ্যাংশে রঘুবীর সিংহের দৃঢ়শরীরের কথা উল্লিখিত হয়েছে। এই যুবকটি গৌরাঙ্গ। তার সুন্দর সুগঠিত শরীর। কালো কোঁকড়ানো চুলে গণ্ডস্থল সুশোভিত। অনেক পথ অতিক্রম করার কারণে পরিশ্রান্ত মুখের উপর বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে উঠেছে, চোখে-মুখে প্রসন্নতা ফুটে রয়েছে। শিরোবেষ্টনে বিভূষিত এবং কর্তব্যপরায়ণতায় তিনি সদা তৎপর।

প্রশ্নঃ রঘুবীরসিংহের মুখমণ্ডল কীরূপ ছিল? যুবা পদটির বিপরীতার্থক পদটি লেখো।

উত্তরঃ রঘুবীর সিংহের পদ্মের মতো মুখে প্রসন্নতা দেখা গিয়েছিল।’যুবা’ পদটির বিপরীতার্থক পদটি হল – বৃদ্ধঃ।

প্রশ্নঃ শিববীরের বিশ্বাসভাজনের পাগড়িটি কী ধরনের ছিল?

উত্তরঃ শিববীরের বিশ্বাসভাজনের পাগড়িটি সবুজ রঙে সজ্জিত ছিল।

প্রশ্নঃ শিববীরের বিশ্বাসপাত্র কে ছিলেন? তিনি কোথায় যাচ্ছিলেন?

উত্তরঃ শিববীরের একজন নিষ্ঠাবান গুপ্তচর হলেন আমাদের পাঠ্যাংশে উল্লিখিত ‘বিশ্বাসপাত্র’। তার নাম রঘুবীর সিংহ। তিনি সিংহদুর্গ থেকে তোরণদুর্গে যাচ্ছিলেন।

প্রশ্নঃ পুনরেষ দ্বৈগুণ্যং প্রাপ্তঃ-কী এবং কীভাবে পুনরায় দ্বিগুণ হয়েছিল?

উত্তরঃ সন্ধ্যাবেলার স্বাভাবিক অন্ধকার প্রবল ঝঞ্ঝার কারণে উত্থিত ধূলিকণায়, ঝরাপাতায়, ফুলের পরাগে ও শুকনো ফুলের দ্বারা পুনরায় দ্বিগুণ হয়েছিল।

প্রশ্নঃ পথ দেখা যাচ্ছিল না কেন?

উত্তরঃ ঝোড়ো বাতাসের ফলে উৎপন্ন মেঘরাশিতে, ধূলিকণায়, ঝরাপাতায়, ফুলের পরাগে এবং শুকনো ফুলে সন্ধ্যার স্বাভাবিক অন্ধকার দ্বিগুণ হয়েছিল। তাই পথ দেখা যাচ্ছিল না।

প্রশ্নঃ ভীতঃ পদের দ্বারা কাকে নির্দেশ করা হয়েছে? প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্ণয় করো – ভীতঃ।

উত্তরঃ ‘ভীত’ পদের দ্বারা ঘোড়াটিকে নির্দেশ করা হয়েছে। ভীতঃ – ভী + ক্ত, পুংলিঙ্গে প্রথমার একবচন।

প্রশ্নঃ ভয় পেয়ে ঘোড়াটি কী করেছিল?

উত্তরঃ কখনো-কখনো ঘোড়াটি ভয় পেয়ে দু-পা তুলে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। কখনো-কখনো চলতে চলতে মাঝরাস্তা থেকে ফিরে আসছিল এবং কখনো-কখনো লাফিয়ে চলছিল।

প্রশ্নঃ সৈন্ধব কে ছিল? এই পদের দুটি সংস্কৃত প্রতিশব্দ লেখো।

উত্তরঃ সৈন্ধব হল একটি ঘোড়া। এই পদের দুটি সংস্কৃত প্রতিশব্দ হল –  ‘ঘোটকঃ’ এবং ‘হয়ঃ’।

প্রশ্নঃ কৃতপ্রতিজ্ঞোহসৌ’ উদ্ধৃতাংশে ‘অসৌপদের দ্বারা লেখক কাকে বুঝিয়েছেন? তার প্রতিজ্ঞাটি কী ছিল?

উত্তরঃ উদ্ধৃতাংশে ‘অসৌ’ পদের দ্বারা লেখক রঘুবীর সিংহকে বুঝিয়েছেন। কার্য সম্পাদন করব অথবা আমি আমার দেহ বিসর্জন দেব – শিববীর অনুচরের এইরূপ প্রতিজ্ঞা ছিল।

প্রশ্নঃ কে, কেন নিজের কাজ থেকে বিরত হননি?

উত্তরঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়ানকতায় শিববীরের বিশ্বাসভাজন যুবকটি ভীত হননি। কারণ, তিনি ছিলেন তার প্রভুর অনুগত একজন দেশপ্রেমিক। যিনি নিজের জীবনের থেকে কর্তব্যকর্মকেই শ্রেষ্ঠ বলে মনে করতেন।

প্রশ্নঃ যস্যাধ্যক্ষঃ স্বয়ং পরিশ্রমী‘-কার অধ্যক্ষ পরিশ্রমী ছিলেন? ‘অধ্যক্ষঃ পদের দ্বারা কাকে নির্দেশ করা হয়েছে?

উত্তরঃ রঘুবীর সিংহের অধ্যক্ষ পরিশ্রমী ছিলেন। ‘অধ্যক্ষঃ’ পদের দ্বারা রঘুবীর সিংহের প্রভু এবং আদর্শ নেতা স্বয়ং শিবাজিকে নির্দেশ করা হয়েছে।

প্রশ্নঃ অদ্ভুতসাহসঃ পদের দ্বারা কাকে বোঝানো হয়েছে? তিনি কী 107 পাঠিয়েছিলেন?

উত্তরঃ ‘অদ্ভুতসাহসঃ’ পদের দ্বারা শিবাজিকে বোঝানো হয়েছে। তিনি একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন।

প্রশ্নঃ গদ্যাংশে মহারাজঃ কে? সন্ধি বিচ্ছেদ করো-অস্ত্যেষঃ।

উত্তরঃ গদ্যাংশে ‘মহারাজঃ’ হলেন স্বয়ং শিবাজি। অস্ত্যেষঃ = অস্তি + এষঃ।

একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেশন 2026 ঋতুচর্যা পদ্যাংশ থেকে 2 নাম্বারের প্রশ্ন উত্তর

(পূর্ণমান-2)

অর্থ লেখো

গোরসান- দুগ্ধজাত দ্রব্য

শ্লেষ্মা- কফ

বমনাদীনি- বমন প্রভৃতি

অর্করশ্মিভিঃ- সূর্যের রশ্মিরাশি দিয়ে

প্রদোষে- রাত্রিতে    

নিবাতম্-বায়ু চলাচল শূন্য

বসাম্-চর্বি বা স্নেহপদার্থ

নিচিতঃ- সঞ্চিত            

সশাল্যন্নম্- শালি ধানের ভাত নিয়ে

নবৌদনম্- নতুন চালের ভাত

উদমন্থম্- জল দিয়ে গোলা ছাতু

পেপীয়তে- বেশি বেশি পান করা হয়

মধুরম্- মিষ্টি স্বাদের

বিমলানি-পরিষ্কার

ইন্দুরশ্ময়ঃ- চন্দ্রকিরণধারা

ময়ূখৈঃ কিরণরাশি দিয়ে

সংস্কৃত প্রতিশব্দ লেখো

গোরসান্- গব্যান্    

বসাম্-স্নেহপদার্থম্

শ্লেষ্মা-কফঃ

নবৌদনম্- নবান্নম্

ময়ূখৈঃ- কিরণৈঃ      

অর্করশ্মিভিঃ- সূর্যকিরণৈঃ

প্রবাতম্-বায়ুবহুলম্

মধুরম্- মিষ্টম্

তুল্যো- সমানৌ

লঘূনি-ঈষন্মাত্রাণি

নিবাতম্- বায়ুচলাচলশূন্যম্

রবিঃ- সূর্যঃ

বিবর্জয়েৎ- অত্যন্তং পরিত্যজেৎ

পেপীয়তে- পুনঃ পুনঃ পীয়তে

প্রশ্নঃ ঋতুচর্যাকার লেখা? উৎস লেখো।

উত্তরঃ ‘ঋতুচর্যা’ নামক গ্রন্থের রচয়িতা হলেন মহর্ষি চরক।আয়ুর্বেদের গ্রন্থ চরকসংহিতার ‘তস্যাশিতীয়ঃ’ নামক ষষ্ঠ অধ্যায় থেকে ‘ঋতুচর্যা’ গৃহীত।

প্রশ্নঃ ঋতু কয় প্রকার? তাদের নামগুলি কী কী?

উত্তরঃ ঋতু ছয় প্রকার। তাদের নামগুলি হল – হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম, বর্ষা এবং শরৎ।

প্রশ্নঃ হেমন্তকালে কী ধরনের আহার করলে আয়ুক্ষয় হয় না?

উত্তরঃ হেমন্তকালে যে নিয়মিত দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত খাদ্যদ্রব্য, আখের রস থেকে উৎপন্ন গুড় প্রভৃতি খাদ্যপদার্থ, ঘি, তৈলাক্ত খাদ্য, নবান্ন এবং গরম জল সেবন করে, তার আয়ুক্ষয় হয় না।

প্রশ্নঃ শীতের আগমনে কী ধরনের খাদ্য-পানীয় বর্জন করা উচিত?

উত্তরঃ শীতের আগমনে অল্প আহার, ছাতুর শরবত, খোলা হাওয়ায় থাকা এবং বায়ু-কফ উৎপন্নকারী হালকা খাদ্য-পানীয়সমূহ বর্জন করা উচিত।

প্রশ্নঃ শীতকালে কীরকম বাড়িতে থাকা উচিত?

উত্তরঃ শীতকালে বায়ুরহিত এবং অধিকতর উন্ন গৃহে বসবাস করা উচিত।

প্রশ্নঃ কোন্ ঋতুতে বায়ুশূন্য উদ্বু গৃহে আশ্রয় নেওয়া উচিত? নিবাতম্-এর পর্যায়পদটি লেখো।

উত্তরঃ শিশির ঋতুতে বায়ুশূন্য উষ্ণ গৃহে আশ্রয় নেওয়া উচিত। ‘নিবাতম্’-এর পর্যায়পদটি হল বায়ুরহিতম্।

প্রশ্নঃ ঋতুচর্যা প্রথম ও শেষ ঋতুদুটি লেখো।

উত্তরঃ ‘ঋতুচর্যা’ পাঠ্যানুসারে প্রথম ঋতুটি হল হেমন্ত এবং শেষ ঋতুটি হল শরৎ।

প্রশ্নঃ শীতকালে কেমন খাদ্যদ্রব্য বর্জন করা উচিত?

উত্তরঃ শীতকালে কটু, তিক্ত, কষায়, বায়ুবর্ধক হালকা এবং ঠান্ডা খাদ্য-পানীয় বর্জন করা উচিত।

প্রশ্নঃ বসন্তে কে কায়াগ্নিকে বাধা দান করে?

উত্তরঃ শরীরে সঞ্চিত শ্লেষ্মা বসন্তকালের সূর্যের কিরণের তাপে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে শরীরের কায়াগ্নিকে নষ্ট করে দেয়। ফলে বহু রোগ দেখা যায়।

প্রশ্নঃ শিশির ঋতুর পর কোন্ ঋতু আসে? সেই ঋতুতে কী কী কর্ম করানো উচিত?

উত্তরঃ শিশির ঋতুর পর বসন্ত আসে। বসন্ত ঋতুতে বমন ইত্যাদি কাজ করানো উচিত।

প্রশ্নঃ বসন্তে কী কী খাদ্যদ্রব্য বর্জন করা উচিত?

উত্তরঃ বসন্ত ঋতুতে দিবানিদ্রা ছাড়া ভারী, টকজাতীয়, তৈলাক্ত ও মিষ্টিজাতীয় খাদ্য-পানীয় বর্জনীয়।

প্রশ্নঃ কোন্ ঋতুতে দিবাস্বপ্ন বর্জন করা উচিত? এখানে দিবাস্বপ্ন‘-এই শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ বসন্ত ঋতুতে দিবাস্বপ্ন বর্জন করা উচিত। এখানে ‘দিবাস্বপ্ন’ এই শব্দের অর্থ হল দিনের বেলায় ঘুমোনো।

প্রশ্নঃ ময়ূখৈঃ পদটির দুটি পর্যায়পদ পদ্যাংশ থেকে বেছে নিয়ে লেখো।

উত্তরঃ ‘ময়ূখৈঃ’ পদটির দুটি পর্যায়পদ হল ‘ভাভিঃ’ ও ‘রশ্মিভিঃ’।

প্রশ্নঃ গ্রীষ্মে কে অত্যধিক পরিমাণে কী শোষণ করে? ‘রবিঃ পদটির পর্যায়বাচক পদ লেখো।

উত্তরঃ গ্রীষ্মে সূর্য সমস্ত স্নেহপদার্থ অর্থাৎ আর্দ্রভাব অত্যধিক ス পরিমাণে শোষণ করে। ‘রবিঃ’ পদটির পর্যায়বাচক পদটি হল ভাস্করঃ।

প্রশ্নঃ গ্রীষ্মে সূর্য কার স্নেহপদার্থ বারবার পান করে? ‘পেপীয়তেপদটির অর্থ সংস্কৃত ভাষায় লেখো।

উত্তরঃ গ্রীষ্মে সূর্য জগতের স্নেহপদার্থ বারবার পান করে। সংস্কৃত ভাষায় ‘পেপীয়তে’ পদটির অর্থ হল পুনঃ পুনঃ পিবতি।

প্রশ্নঃ গ্রীষ্মকালে কী ধরনের খাদ্যগ্রহণ স্বাস্থ্যকর হয়ে থাকে?

উত্তরঃ গ্রীষ্মে সুস্বাদু, স্নেহরসবিশিষ্ট, শীতল, দ্রব অর্থাৎ জলীয় খাদ্য-পানীয়ের সেবন হিতকর বলে মনে করা হয়।

প্রশ্নঃ কখন ব্যায়াম বর্জন করা উচিত? এই সময়ে কী কী খাদ্য 76 বর্জন করা উচিত?

উত্তরঃ গ্রীষ্ম ঋতুতে ব্যায়াম বর্জন করা উচিত। এই সময়ে লবণযুক্ত-টকজাতীয়-কটু-গরম খাবারসমূহ বর্জন করা উচিত।

প্রশ্নঃ কোন্ ঋতুতে এবং কেন বায়ুবিকার হয়ে থাকে?

উত্তরঃ বর্ষাকালে ভূমি থেকে বাষ্প উঠতে থাকে, মেঘ থেকে জলধারা বর্ষিত হয় এবং জল অম্লপাক হয়। তাই এই সময় শরীরে অগ্নিবল তথা জঠরাগ্নি ক্ষীণ হওয়ার কারণে বায়ুরোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।

প্রশ্নঃ বর্ষাকালে কীরকম খাওয়াদাওয়া করা উচিত?

উত্তরঃ বর্ষাকালে বর্ষাজনিত শীতের দিনে শরীরের বায়ু প্রশমনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে অম্ল, লবণ ও স্নেহরসবিশিষ্ট খাদ্যদ্রব্য ভোজন করা উচিত।

প্রশ্নঃ খাদিতব্যম্ অর্থে পদ্যাংশটিতে কোন্ পদ প্রযুক্ত হয়েছে? সেই পদটির প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্ণয় করো।

উত্তরঃ ‘খাদিতব্যম্’ অর্থে পদ্যাংশটিতে ভোক্তব্যম্ প্রযুক্ত হয়েছে। ভোক্তব্যম্ – ভুজ্ + তব্য, ক্লীবলিঙ্গে প্রথমার একবচন।

প্রশ্নঃ শরৎকালে পিত্ত উপশমের জন্য কী কী খাদ্যগ্রহণ করা উচিত?

উত্তরঃ শরৎকালে পিত্তপ্রশমনের জন্য সঠিক মাত্রায় সুমিষ্ট, শীতল, লঘু ও তিক্ত খাদ্যগ্রহণ করা উচিত।

প্রশ্নঃ চন্দ্রকিরণ কোন্ ঋতুতে কখন প্রশংসিত হয়?

উত্তরঃ শরৎকালে সন্ধ্যার সময় চন্দ্রকিরণ প্রশংসিত হয়।

একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেশন 2026 দানবীরঃ কর্ণঃ নাট্যাংশ থেকে 2 নাম্বারের প্রশ্ন উত্তর

(পূর্ণমান-2)

অর্থ লেখো

বীর্যবান্ শব্দঃ- গুরুগম্ভীর শব্দ

ধীরনিনদম্- শান্ত ধ্বনিযুক্ত

চিত্রার্পিতাঙ্গাঃ- ছবিতে আঁকা

ভূজঙ্গঃ- সাপ                               

মদ্বিভবাঃ- আমার সম্পদরাশি

ক্ষীরধারা- দুধের ধারা     

ষট্পদৈঃ- ভ্রমরগুলির দ্বারা 

হুতম্- আহুতি                

অগ্নিষ্টোমফলম্- অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল

অবিহা- ছি! ছি!          

কুণ্ডলাভ্যাম্- কুণ্ডল দুটির সঙ্গে

কবচম্- কবচ/বর্ম

কিরীটিমান- ইন্দ্র                   

শত্রুঃ- ইন্দ্র   

বাঢ়ম্- বেশ/ভালোই হয়েছে

বিমলা- ‘বিমলা’ নামের এক অস্ত্র

নেপথ্যে- সাজঘরে     

যাচে- চাইছি

সহর্ষম্- সানন্দে              

প্রতিগৃহ্যতাম্- দান গ্রহণ করুন

সহসা- হঠাৎ

দ্বিজবরঃ- ব্রাহ্মণশ্রেষ্ঠ      

যশঃ- কীর্তি            

মূঢ়- বোকা

সংস্কৃত প্রতিশব্দ লেখো

ভুজঙ্গঃ- সর্পঃ

মূর্খঃ- নির্বোধঃ

চন্দ্রঃ- শশী

কনকম্- স্বর্ণম্

অনিলঃ- বায়ুঃ

সপদি- সদ্যঃ

পাদপাঃ- বৃক্ষাঃ

ইদানীম্- অস্মিন্ সময়ে

পুরন্দরঃ- ইন্দ্রঃ

দানবঃ- দৈত্যঃ

পাকশাসনঃ- ইন্দ্রঃ

হয়াঃ- অশ্বাঃ    

গিরিবরঃ- পর্বতশ্রেষ্ঠঃ

ক্ষীরম্- দুগ্ধম্

পুরুষেণ- নরেণ

সাগরঃ- সমুদ্রঃ

মেঘাঃ- বলাহকাঃ

বচনম্- উক্তিঃ

লোকে- পৃথিব্যাম্

ষট্ পদৈঃ- ভ্রমরৈঃ

বীর্যবান্- গম্ভীরঃ

কনকম্- স্বর্ণম্

শিরঃ- মুণ্ডম্

ক্ষয়ম্- বিনাশম্

বঞ্চিতঃ- প্রতারিতঃ

শক্রেণ- ইন্দ্রেণ

সুরদ্বিপঃ– ঐরাবতঃ

যদি- চেৎ

প্রশ্নঃ দানবীরঃ কর্ণঃ কোন্ গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত হয়েছে এবং এই গ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তরঃ ‘কর্ণভারম্’ নাটক থেকে ‘দানবীরঃ কর্ণঃ’ নাটকটি সংগৃহীত হয়েছে এবং এই গ্রন্থের রচয়িতা হলেন মহাকবি ভাস।

প্রশ্নঃ দানবীরঃ কর্ণঃ নাটকে কয়টি চরিত্র আছে, কী কী?

উত্তরঃ ‘দানবীরঃ কর্ণঃ’ নাটকে চারটি চরিত্র রয়েছে-কর্ণ, শত্রু, শল্য এবং দেবদূত।

প্রশ্নঃ অঙ্গরাজ এবং শল্যরাজ কে ছিলেন?

উত্তরঃ কর্ণ ছিলেন অঙ্গরাজ এবং শল্যরাজ ছিলেন কর্ণের সারথি।

প্রশ্নঃ অঙ্গরাজের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ অঙ্গরাজ কর্ণ ছিলেন কুস্তী ও সূর্যদেবের পুত্র।

প্রশ্নঃ নেপথ্য থেকে কর্ণ কার কণ্ঠে কী শুনেছিলেন?

উত্তরঃ নেপথ্য থেকে কর্ণ কোনো এক ব্রাহ্মণের কণ্ঠে ‘ভোঃ কর্ণ! মহত্তরাং ভিক্ষাং যাচে’- এইরকম বীর্যবান ধ্বনি শুনেছিলেন।

প্রশ্নঃ মহত্তরাং ভিক্ষাং যাচে-কে কার কাছে মহত্তর ভিক্ষা প্রার্থনা করেছিলেন?

উত্তরঃ দেবরাজ ইন্দ্র কর্ণের কাছে মহত্তর ভিক্ষা প্রার্থনা করেছিলেন।

প্রশ্নঃ শ্রীমানেষ‘-এখানে শ্রীমান্কে তা উল্লেখ করে, পদটির সন্ধি বিচ্ছেদ করো।

উত্তরঃ এখানে ‘শ্রীমান্’ হলেন ব্রাহ্মণবেশী ইন্দ্র। পদটির সন্ধি বিচ্ছেদ হল – শ্রীমান্ + এষঃ।

প্রশ্নঃ ইন্দ্র কাদেরকে ফিরে যেতে বললেন? সন্ধি বিচ্ছেদ করো-সূর্যেণব।

উত্তরঃ ইন্দ্র মেঘেদেরকে সূর্যের সঙ্গে ফিরে যেতে বললেন। সূর্যেণৈব – সূর্যেণ + এব।

প্রশ্নঃ ইন্দ্র কর্ণকে কী আশীর্বাদ করেছিলেন?

উত্তরঃ ইন্দ্র কর্ণকে এই বলে আশীর্বাদ করেছিলেন যে, সূর্যের মতো, চন্দ্রের মতো, হিমালয়ের মতো এবং সাগরের মতো তোমার যশ অবস্থান করুক।

প্রশ্নঃ ভগবন্! কিং ন বক্তব্যম্ দীর্ঘায়ুর্ভবেতি- এখানে ভগবন্ কে? এটি কার উক্তি?

উত্তরঃ এখানে ‘ভগবন্’ হলেন দেবরাজ ইন্দ্র। এটি কর্ণের উক্তি।

প্রশ্নঃ প্রথমে কর্ণ ব্রাহ্মণকে কী দান করতে চেয়েছিলেন? বিপরীত শব্দ লেখো দেয়ম্।

উত্তরঃ কর্ণ প্রথমে ব্রাহ্মণকে হাজার গাভি দান করতে চেয়েছিলেন। দেয়ম্ – নেয়ম্।

প্রশ্নঃ কর্ণ যে গাভিগুলি দিতে চেয়েছিলেন তাদের বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তরঃ কর্ণ ইন্দ্রকে অমৃততুল্য দুগ্ধ প্রদানকারী, সুদর্শন, তরুণ, বলিষ্ঠ, স্বর্ণশৃঙ্খলযুক্ত, প্রার্থীদের বহু আকাঙ্ক্ষিত, দুগ্ধপানে তৃপ্ত, সবৎস একহাজার গাভি দান করতে চেয়েছিলেন।

প্রশ্নঃ গোসহস্রমিতি। মূহূর্তকং স্ক্রীরং পিবামি। কে বলেছিলেন? ‘নেচ্ছামি পদটির সন্ধি বিচ্ছেদ করে সন্ধি নির্দেশ করো।

উত্তরঃ এই বাক্যটি দেবরাজ ইন্দ্র বলেছিলেন। নেচ্ছামি – ন + ইচ্ছামি, স্বরসন্ধি।

প্রশ্নঃ কর্ণের হাতিগুলির গন্ডদেশ কেমন ছিল? ‘ষট্পদৈঃ পদটির সংস্কৃত প্রতিশব্দ লেখো।

উত্তরঃ কর্ণের হাতিগুলির গণ্ডদেশ ছিল মদবারিতে পূর্ণ। ‘ষট্পদৈঃ’ পদটির সংস্কৃত প্রতিশব্দ হল ‘ভ্রমরৈঃ’।

প্রশ্নঃ কর্ণ ইন্দ্রকে অপরিমিত কী দিতে চেয়েছিলেন? বিপরীত পদ নির্ণয় করো- অপর্যাপ্তম্।

উত্তরঃ কর্ণ ইন্দ্রকে অপরিমিত সোনা দিতে চেয়েছিলেন। অপর্যাপ্তম্ – এর বিপরীত পদটি হল – স্বল্পম্।

প্রশ্নঃ এখানে কোন্ যজ্ঞের নাম শোনা যায়? প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্ণয় করো-করিষ্যামি।

উত্তরঃ এখানে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের নাম শোনা যায়। করিষ্যামি – কৃ + ল্‌ট, উত্তম পুরুষ একবচন।

প্রশ্নঃ ‘তেন হি মচ্ছিরো দদামি’- কে, কাকে তার মস্তক দান করতে চেয়েছিলেন? সন্ধি বিচ্ছেদ করে সন্ধিনির্দেশ করো-‘মচ্ছিরঃ’।

উত্তরঃ কর্ণ ইন্দ্রকে তার মস্তক দান করতে চেয়েছিলেন। মচ্ছিরঃ – মৎ + শিরঃ, ব্যঞ্জনসন্ধি।

প্রশ্নঃ প্রসীদতু ভবান- এখানে ভবান্পদের দ্বারা কাকে বোঝানো হয়েছে? ব্যুৎপত্তি নির্ণয় করো – ভেতব্যম।

‘প্রসীদতু ভবান্’- এখানে ‘ভবান্’ বলতে ইন্দ্রকে বোঝানো হয়েছে। ভী + তব্য, ক্লীবলিঙ্গে প্রথমার একবচন।

প্রশ্নঃ সবশেষে কর্ণ ইন্দ্রকে কী দিতে চেয়েছিলেন? ব্যুৎপত্তি নির্ণয় করো-জনিতম্।

উত্তরঃ সবশেষে কর্ণ ইন্দ্রকে তার অঙ্গসহজাত কবচের সঙ্গে কুণ্ডলদ্বয় দিতে চেয়েছিলেন। জনিতম্ – জন্ + ণিচ্ + ক্ত, উক্ত কর্মে প্রথমার একবচন।

প্রশ্নঃ কর্ণের কবচকুন্ডলের বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তরঃ কর্ণের অঙ্গের সঙ্গে জাত কবচকুণ্ডল তার দেহের রক্ষাকারী ছিল। দেবতা ও অসুরেরাও একে অস্ত্রের দ্বারা ভেদ করতে পারত না।

প্রশ্নঃ কর্ণের কাছ থেকে ইন্দ্র কী গ্রহণ করেছিলেন? সহর্ষম্ পদটির সংস্কৃত প্রতিশব্দ কী?

উত্তরঃ কর্ণের কাছ থেকে ইন্দ্র তার সহজাত কবচ ও কুণ্ডল গ্রহণ করেছিলেন। সহর্ষম্ পদটির সংস্কৃত প্রতিশব্দ হল সানন্দম্।

প্রশ্নঃ এষ এবাস্য কামঃ‘- এখানে অস্যবলতে কার কথা বলা হয়েছে? উক্তিটিতে কোন্ কামনার কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ এখানে ‘অস্য’ বলতে দেবরাজ ইন্দ্রের কথা বলা হয়েছে। উক্তিটিতে ইন্দ্রের কবচকুণ্ডলদ্বয় গ্রহণরূপ কামনার কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্নঃ ন দাতব্যম্, ন দাতব্যম্।কার উক্তি? সে কাকে, কী দান করতে বারণ করেছিলেন?

উত্তরঃ এটি শল্যরাজের উক্তি। তিনি কর্ণকে তার অঙ্গসহজাত কবচকুণ্ডলদ্বয় দান করতে বারণ করেছিলেন।

প্রশ্নঃ বঞ্চিতঃ খলু ভবান্‘- কে, কাকে এই কথাটি বলেন?

উত্তরঃ মদ্ররাজ শল্য কর্ণকে এই কথাটি বলেন।

প্রশ্নঃ কর্ণ কার দ্বারা প্রতারিত হয়েছিলেন? ব্যুৎপত্তি নির্ণয় করো – বঞ্চিতঃ।

উত্তরঃ কর্ণ ব্রাহ্মণবেশী ইন্দ্রের দ্বারা প্রতারিত হয়েছিলেন। বঞ্চিতঃ – বঞ্চ্ + ক্ত, পুংলিঙ্গে প্রথমার একবচন।

প্রশ্নঃ নাট্যাংশে কাকে, কেন পাকশাসনবলা হয়েছে?

উত্তরঃ দেবরাজ ইন্দ্রকে পাকশাসন বলা হয়। ত্বষ্টার দুজন পুত্র বৃত্রাসুর এবং পাকাসুর। দেবরাজ ইন্দ্র অত্যাচারী পাকাসুরকে শাসন ও হত্যা করেছিলেন। তাই ইন্দ্রের নাম হল পাকশাসন।

প্রশ্নঃ ইন্দ্র কর্ণকে কী অস্ত্র দান করেছিলেন? অস্ত্রটির বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তরঃ ইন্দ্র কর্ণকে বিমলা অস্ত্র দান করেছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র পাণ্ডবদের মধ্যে একজনকে বধ করার জন্য কর্ণকে ‘বিমলা’ নামক একটি অব্যর্থ অস্ত্র দান করেছিলেন।

প্রশ্নঃ শক্তিরিয়ং প্রতিগৃহ্যতাম্‘-কে, কাকে এই কথাটি বলেছিলেন? এখানে কী গ্রহণ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে?

উত্তরঃ দেবদূত কর্ণকে এই কথাটি বলেছিলেন। এখানে ‘বিমলা’ নামে একটি শক্তি গ্রহণ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্নঃ যদা স্মরসি তদা লভম্ব-কে, কাকে এ কথা বলেছিলেন? এখানে কী স্মরণ করার কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ দেবদূত, কর্ণকে এ কথা বলেছিলেন। এখানে বিমলা নামক অস্ত্রটিকে স্মরণ করার কথা বলা যহয়েছে।

একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেশন 2026 ব্যাকরণ সন্ধি থেকে 2 নাম্বারের প্রশ্ন উত্তর

(পূর্ণমান-2)

1.সন্ধি কোথায় কোথায় কর্তব্য তা শ্লোকের মাধ্যমে লেখো।

উত্তর:  সন্ধির স্থলগুলি নিয়ে একটি শ্লোক প্রচলিত আছে, সেটি হল-“সংহিতৈকপদে নিত্যা নিত্যা ধাতৃপসর্গয়োঃ। সমাসেহপি চ নিত্যা স্যাৎ সা চান্যত্র বিভাষিতা।।”

2.সন্ধি করলে বর্ণের কীরূপ পরিবর্তন ঘটে?

উত্তর: সন্ধি করলে বর্ণের গুণ, বৃদ্ধি, যণাদি, অয়াদি, সকার, যকার, শকার ইত্যাদিরূপে পরিবর্তন ঘটে।

3.সন্ধি কোথায় কোথায় অবশ্য কর্তব্য তা উদাহরণের মাধ্যমে বোঝাও।

উত্তর: (১) সন্ধি একপদে অবশ্যকর্তব্য, যেমন-গৈ অকঃ গায়কঃ। (২) সন্ধি ধাতু ও উপসর্গের মধ্যে অবশ্যকর্তব্য, যেমন-প্রতি + আগচ্ছতি = প্রত্যাগচ্ছতি। (৩) সমাসেও সন্ধি অবশ্যকর্তব্য, যেমন-পঞ্চ + আননঃ = পঞ্চাননঃ।

4.যণ্ সন্ধি বিষয়ক সূত্রটি অর্থ-সহ লেখো।

উত্তর: যণ্ সন্ধি বিষয়ক সুত্র হল ‘ইকো যণচি’। যদি অসবর্ণ স্বর পরে থাকে তাহলে ইকের মানে ই/ঈ, উ/ঊ, ঋ/ঝু ও ৯ বর্ণের স্থানে যথাক্রমে যণ (য, ব, র্ ও ল্) আদেশ হয়। যেমন-প্রতি + একঃ = প্রত্যেকঃ, অনু + এষণম্ = অন্বেষণম্, পিতৃ আলয়ঃ = পিত্রালয়ঃ, ৯ + আকৃতিঃ = লাকৃতিঃ।

5.যণ্ সন্ধিতে কোনো বর্ণের কীরূপ পরিবর্তন ঘটে?

উত্তর: যণ্ সন্ধিতে ই/ঈ-স্থানে য, উ/ঊ-স্থানে ব, ঋ/খৃ-স্থানে র্ এবং ৯-স্থানে ল্ হয়।

6.অয়াদি সন্ধি বিষয়ক সূত্রটি অর্থ-সহ লেখো। উদাহরণ দাও।

উত্তর: অয়াদি সন্ধি বিষয়ক পাণিনীয় সূত্রটি হল ‘এচোহয়বায়াবঃ’। সূত্রটির অর্থ হল স্বরবর্ণ পরে থাকলে পূর্ববর্তী এ, ও, ঐ এবং ঔ-স্থানে যথাক্রমে অয়, অব, আয়্ এবং আব্ হয়। যেমন- শে অনম্ = শয়নম্,  পো + অনঃ = পবনঃ,  নৈ অকঃ নায়কঃ,  নৌ + ইকঃ = নাবিকঃ।

7.অনুস্বার বিষয়ক সন্ধির একটি সূত্র অর্থ-সহ লেখো।

উত্তর: অনুস্বার বিষয়ক একটি পাণিনীয় সূত্র হল- ‘মোহনুস্বারঃ’। সূত্রটির অর্থ হল ব্যঞ্জনবর্ণ পরে থাকলে ম-কারান্ত পদের ম-কারের অনুস্বার হয়। যেমন-হরিম্ + বন্দে = হরিং বন্দে।

8.”নশ্চাপদান্তস্য ঝলি”-সূত্রটির অর্থ লেখো। উদাহরণ দাও।

উত্তর: যদি ‘ঝল্’ মানে বর্গের ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ বর্ণগুলি এবং শ, ষ, স, হ-বর্ণগুলি পরে থাকে তাহলে অপদান্ত ন-কার এবং ম-কারের অনুস্বার হয়। উদাহরণ-যশান্ + সি যশাংসি,  আক্রম্ স্যতে = আক্রংসাতে।

9.পরসবর্ণ বিষয়ক সূত্রটি অর্থ-সহ লেখো।

উত্তর: পরসবর্ণ বিষয়ক পাণিনীয় সূত্রটি হল, ‘অনুস্বারস্য যয়ি পরসবর্ণঃ’। অর্থাৎ ‘যয়’ মানে বর্গীয় বর্ণগুলি এবং য, ব, র, ল পরে থাকলে অনুস্বারের স্থানে নিত্য পরসবর্ণ হয়। যেমন-শাম্ + তঃ > শাং + তঃ = শান্তঃ।

10.সূত্র ব্যাখ্যা করো-তোর্লি

উত্তর: ‘তোর্লিঃ’  সূত্রটির অর্থ হল ল-কার পরে থাকলে ‘ত’ বর্গের বর্ণগুলির স্থানে পরসবর্ণ আদেশ হয়। যেমন-তৎ+ লয় তল্লয়ঃ, বিদ্বান্ + লিখতি = বিদ্বাল্লিঁখতি।

11.অচ্ ও হল্-এর অর্থ লেখো।

উত্তর:  অচ্ মানে স্বরবর্ণ, এবং হল্ মানে ব্যঞ্জনবর্ণ। পাণিনি ব্যাকরণে বর্ণগুলির একটি বিশেষ রকম পাঠ আছে। যেমন-অইউ, ঋ ৯ ক্ এও ঐ ঔ চ্ -এখানে প্রথম বর্ণ ‘অ’ এবং শেষ বর্ণ ‘চ’ কে মিলিয়ে ‘অচ্’ বলা হয়েছে। এর দ্বারা সব স্বরবর্ণকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এইভাবে হল্-এরও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

উদাহরণ দাও

1. ই/ঈ স্থানে য।  উত্তর:- প্রতি + একঃ = প্রত্যেকঃ,

2. উ/উ স্থানে ব্‌।  উত্তর:- অনু + অয়ঃ = অন্বয়ঃ।

3. ঋ/ঋ স্থানে র্।  উত্তর:- পিতৃ + আলয়ঃ = পিত্রালয়ঃ,

4. এ স্থানে অয়।  উত্তর:- শে + অনম্ = শয়নম্

5. ঐ স্থানে আয়।  উত্তর:- নৈ + অকঃ = নায়কঃ

6. ও স্থানে অব্।  উত্তর:- ভো + অনম্ = ভবনম্

7. ঐ স্থানে আব্।  উত্তর:- ভৌ + উকঃ = ভাবুকঃ

৪. ম্ স্থানে অনুস্বার।  উত্তর:- হরিম্ + বন্দে = হরিং বন্দে

9. বিসর্গ লোপ সন্ধি-  উত্তর:- এষঃ + শম্ভুঃ = এষ শম্ভুঃ

10. বিসর্গ স্থানে স্। উত্তর:- বিষ্ণু + ত্রাতা = বিষ্ণুস্ত্রাতা

সূত্র ব্যাখ্যা করো

1. ইকো যণচি – ইকো যণচি সূত্রটির অর্থ হল-ইক্ মানে ই/ঈ, উ/ঊ, ঋ/ঝু এবং ৯-এর স্থানে যণ মানে য, ব, র্, ল্ হয় মানে যথাক্রমে য, ব, র, ল হয় যদি পরে অসবর্ণ স্বরবর্ণ পরে থাকে। যেমন- (ক) প্রতি+ একঃ = প্রত্যেকঃ, (খ) অনু + এষণম্ = অন্বেষণম্, (গ) পিতৃ + আলয়ঃ = পিত্রালয়ঃ, (ঘ) ৯ আকৃতিঃ লাকৃতিঃ।

2.এচোহয়বায়াবঃ- এচোহয়বায়াবঃ সূত্রটির অর্থ হল-স্বরবর্ণ পরে থাকলে পূর্ববর্তী এচ্-এর স্থানে মানে এ ও ঐ ঔ-এর স্থানে যথাক্রমে অয় অব্ আহ্ আবূ আদেশ হয়। যেমন- (ক) শে+ অনম্ শয়নম্, (খ) ভো+ অনম্ = ভবনম্, (গ) নৈ অকঃ নায়কঃ, (ঘ) ভৌ+ উকঃ = ভাবুকঃ।

3. মোহনুস্বারঃ- মোহনুস্বারঃ সূত্রটির অর্থ হল-ব্যঞ্জনবর্ণ পরে থাকলে ম-কারান্ত পদের ম-কারের অনুস্বার আদেশ হয়। যেমন-হরিম্ + বন্দে = হরিং বন্দে।

4. নশ্চাপদান্তস্য ঝলি- নশ্চাপদান্তস্য ঝলি সূত্রটির অর্থ হল-ঝল্ মানে বর্গের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ বর্ণ এবং শ, ষ, স, হ-বর্ণগুলি পরে থাকে তাহলে অপদান্ত ন-কার এবং ম-কারের অনুস্বার হয়। যেমন-(ক) যশান্ + সি = যশাংসি, (খ) আক্রম্ + স্যতে = আক্রংস্যতে।

5. তোর্লি- তোর্লি সূত্রটির অর্থ হল-ল-কার পরে থাকলে ত-বর্গের বর্ণগুলির স্থানে পরসবর্ণ আদেশ হয়। যেমন- (ক) তৎ + লয়ঃ = তল্লয়ঃ, (খ) বিদ্বান্ + লিখতি = বিদ্বাল্লিখতি।

6. অনুস্বারস্য যয়ি পরসবর্ণঃ – অনুস্বারস্য যয়ি পরসবর্ণঃ সূত্রটির অর্থ হল-যয় মানে বর্গীয় বর্ণগুলি এবং য, ব, র, ল পরে থাকলে অনুস্বারের নিত্য পরসবর্ণ হয়। যেমন-শাম্ + তঃ > শাং তঃ শান্তঃ।

7. বা পদান্তস্য- বা পদান্তস্য সূত্রটির অর্থ হল-যয় বর্ণ মানে বর্গীয় বর্ণগুলি এবং য, ব, র, ল পরে থাকলে পদান্ত অনুস্বারের বিকল্পে পরসবর্ণ হয়। যেমন-ত্বম্ + করোষি> ত্বং করোষি ত্বং করোষি, ত্বঙ্করোষি।

৪. বিসর্জনীয়স্য সঃ- বিসর্জনীয়স্য সঃ সূত্রটির অর্থ হল-খর্ বর্ণ মানে বর্গের প্রথম বর্ণ ও দ্বিতীয় বর্ণ এবং শ, য ও স পরে থাকলে বিসর্গের স-কার হয়। যেমন-বিষ্ণুঃ + ত্রাতা = বিষুস্ত্রাতা।

9. সসজুষো রুঃ- পদান্ত স-কার এবং সজুস্ শব্দের স-কারের ‘বু’ (র-কার) আদেশ হয়। স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, যদি অ আ ভিন্ন স্বরবর্ণের পর বিসর্গ থাকে, আর যদি স্বরবর্ণ, বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, ব, র, ল, হ পরে থাকে, তাহলে বিসর্গ স্থানে র-কার হয়। যেমন-কবিঃ + অয়ম্ > কবিস্ + অয়ম্ = কবিরয়ম্।

10. রো রি- রো রি সূত্রটির অর্থ হল-রেফ (মানে র-কার) পরে থাকলে রেফের (র-কারের) লোপ হয়। যেমন-হরিঃ রম্যঃ হরির্ রম্যঃ = হরীরম্যঃ। এখানে অন্য একটি নিয়মে হরি-র ই-কারের দীর্ঘ হয়েছে।

11. হশি চ- হশি চ সূত্রটির অর্থ হল-অপ্লুত হ্রস্ব অ-কারের পর হশ্ বর্ণ মানে বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ এবং হ, য, ব, র, ল পরে থাকলে ‘বু’র (মানে র-কারের) স্থানে উ-কার আদেশ হয়। যেমন-শিবঃ + বন্দ্য > শিবস্ + বন্দ্যঃ শিবউ বন্দ্যঃ শিবো বন্দ্যঃ (অ + উ = ও)।

12. হলি সর্বেষাম্- হলি সর্বেষাম্ সূত্রটির অর্থ হল-হল্ মানে ব্যঞ্জনবর্ণ পরে থাকলে ভো, ভগো, অঘো এবং অবর্ণ পূর্বে আছে এমন য-কারের লোপ হয়। যেমন- (ক) ভোঃ দেবাঃ ভোফ্ দেবাঃ (খ) ভগোঃ নমস্তে > ভগোহ্ + নমস্তে ভো দেবাঃ, ভগো নমস্তে, (গ) অঘোঃ + যাহি > অঘোম্ + যাহি অঘো যাহি।

সন্ধি করো

1. প্রতি + একঃ = প্রত্যেকঃ

2. যদি + অপি = যদ্যপি              

3. পিতৃ + আলয়ঃ = পিত্রালয়ঃ

4. সু + আগতম্ = স্বাগতম্

5. অনু + এষণম্ = অন্বেষণম্

6. মাতৃ + অনুমতিঃ = মাত্রনুমতিঃ

7. ৯ + আকৃতিঃ = লাকৃতিঃ

৪. শে+ অনম্ = শয়নম্

9. পো + অনঃ = পবনঃ

10. নৌ + ইকঃ = নাবিকঃ

11. হরিম্ + বন্দে = হরিং বন্দে

12. শাম্ + তঃ = শান্তঃ

13. ভোঃ দেবাঃ = ভো দেবাঃ

14. পুনঃ + রমতে = পুনারমতে

15. এষঃ + শম্ভুঃ = এষ শম্ভুঃ

সন্ধিবিচ্ছেদ করো

1. হরীরম্যঃ = হরিঃ + রম্যঃ

2. তঙ্করোষিত্বম্ + করোষি

3. বিদ্বাল্লিঁখতি = বিদ্বান্ + লিখতি

4. গবা = গো + আ

5. ভাবুকঃ = ভৌ + উকঃ

6. পবিত্রম্  = পো + ইত্রম্

7. অন্বীক্ষা = অনু + ঈক্ষা

৪. পিত্রিচ্ছা = পিতৃ + ইচ্ছা

9.বিষ্ণুস্ত্রাতা = বিষ্ণু + ব্রাতা

একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেশন 2026 ব্যাকরণ শব্দরূপ থেকে 2 নাম্বারের প্রশ্ন উত্তর

(পূর্ণমান-2)

1. প্রাতিপদিক কাকে বলে? বিভক্তি কয়টি?

উত্তর:- ধাতু নয়,  প্রত্যয়যুক্ত নয় এমন শব্দ বা শব্দাবলি যার অর্থ আছে তাকে প্রাতিপদিক বলে। বিভক্তি ছটি।

2. সুপ্ বলতে কী বোঝ?

উত্তর:- সু থেকে শুরু করে সুপ্ পর্যন্ত যে ২১টি বিভক্তি প্রাতিপদিকের উত্তরে যোগ করা হয় সেগুলিকে একত্রে সুপ্ বলা হয়। সু-কে আদিতে ধরে সুপ্-এর প্-কে নিয়ে সুপ্ শব্দটি গঠিত হয়েছে।

3. সম্বোধন বোঝাতে কোন্ বিভক্তি হয়?

উত্তর:- সম্বোধন বোঝাতে প্রথমা বিভক্তি হয়। তবে শব্দরূপে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়।

4. স্বরান্ত শব্দ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে শব্দের শেষে স্বরবর্ণ থাকে তাকে স্বরান্ত শব্দ বলে। উদাহরণ-নর, মুনি, সাধু ইত্যাদি। র-এর শেষে অ-কার আছে। তাই নর শব্দ একটি স্বরান্ত শব্দ।

5.ব্যঞ্জনান্ত শব্দ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে শব্দের শেষে ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে তাকে ব্যঞ্জনান্ত শব্দ বলে। উদাহরণ-গুণিন্, দিশ্ ইত্যাদি। এখানে শব্দগুলির অন্তে ব্যঞ্জনবর্ণ (ন, শ) আছে, তাই এগুলি ব্যঞ্জনান্ড শব্দ।

6. শিশু শব্দের চারটি সমতুল শব্দের নাম লেখো।

উত্তর:- শিশু শব্দের চারটি সমতুল শব্দ হল-সাধু, বন্ধু, ঋতু এবং রিপু।

7. অজন্ত স্ত্রীলিঙ্গ ও ক্লীবলিঙ্গ শব্দের উদাহরণ দাও।

উত্তর:- কয়েকটি অজন্ত স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ হল-লতা, নদী, বধূ। কয়েকটি অজন্ত ক্লীবলিঙ্গ শব্দ হল-বারি, মধু ইত্যাদি।

৪. বচন কত প্রকার ও কী কী?

উত্তর:- বচন তিনপ্রকার-একবচন, দ্বিবচন এবং বহুবচন।

9. দুটি ইন্‌-ভাগান্ত হলন্ত শব্দের উদাহরণ দাও।

উত্তর:- দুটি ইন্‌-ভাগান্ত হলন্ত শব্দ হল-পথিন, গুণিন্।

10. দুটি ঋ-কারান্ত শব্দের উদাহরণ দাও।

উত্তর:- দুটি ঋ-কারান্ত শব্দ হল-মাতৃ, পিতৃ।

11. দুটি উ-কারান্ত ক্লীবলিঙ্গ শব্দের উদাহরণ দাও।

উত্তর:- দুটি উ-কারান্ত ক্লীবলিঙ্গ শব্দ হল-মধু, অশ্রু।

12. কর্মন্ শব্দের দুটি সমতুল শব্দের উদাহরণ দাও।

উত্তর:- কর্মন্ শব্দের দুটি সমতুল শব্দ হল-চর্মন, জন্মন্।

13. সর্ব শব্দের স্ত্রী ও ক্লীবলিঙ্গের কোন্ কোন্ বিভক্তির রূপ একই?

উত্তর:- সর্ব শব্দের স্ত্রী ও ক্লীবলিঙ্গের প্রথমা থেকে সপ্তমী পর্যন্ত দ্বিবচনের রূপগুলি একই।

14. বাক্যে সর্বনাম পদ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা লেখো।

উত্তর:- কিছু বর্ণনা করতে কোনো ব্যক্তির নাম বা বস্তুর নামকে বারবার উল্লেখ করা বিরক্তিজনক। এই বিরক্তি দূর করতে সর্বনাম পদ ব্যবহার করা প্রয়োজনীয়।

15. সর্বনাম শব্দ কত প্রকার? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- রূপের পার্থক্য অনুসারে সর্বনাম শব্দ পাঁচপ্রকার। উদাহরণ-সর্বাদি, অন্যাদি, পূর্বাদি, যদাদি এবং ইদমাদি।

একাদশ শ্রেণীর সংস্কৃত সাজেশন 2027 ব্যাকরণ ধাতুরূপ থেকে 2 নাম্বারের প্রশ্ন উত্তর

(পূর্ণমান-2)

1. তিঙ্ বিভক্তি কাকে বলে? উদাহরণ দাও

উত্তর:- তিঙ্ (অথবা তি) থেকে মহিঙ্ পর্যন্ত যে বিশেষ ১৮টি বিভক্তি ধাতুর উত্তর বিহিত হয়, তাদের তিঙ্ বিভক্তি বলে।উদাহরণ-চর্ ধাতুর সঙ্গে বর্তমান কালে তিঙ্ (/তি) বিভক্তি যোগে রূপ হয় চরতি। এই ‘তি’ একটি তিঙ্ বিভক্তি।

2. ল-কার কত প্রকার? বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যৎ কাল বোঝাতে কোন্ ল-কার ব্যবহৃত হয়?

উত্তর:- ল-কার দশপ্রকার। বর্তমান কাল বোঝাতে লট্, অতীত কাল বোঝাতে লঙ্ এবং ভবিষ্যৎ কাল বোঝাতে লুট্ ল-কার ব্যবহৃত হয়।

3. পুরুষ কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- পুরুষ তিনপ্রকার প্রথম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ এবং উত্তম পুরুষ। উদাহরণ-রামঃ গচ্ছতি-ধাতুরূপটি প্রথম পুরুষে প্রয়োগ হয়েছে। ত্বং গচ্ছসি -এখানে ধাতুরূপটি মধ্যম পুরুষে প্রয়োগ হয়েছে। অহং গচ্ছমি- এখানে ধাতুরূপটি উত্তম পুরুষে প্রয়োগ হয়েছে।

4.বাক্যে কার পুরুষানুযায়ী ক্রিয়াপদের পুরুষ নির্ধারিত হয়? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- বাক্যে কর্তৃপদের পুরুষানুযায়ী ক্রিয়াপদের পুরুষ নির্ধারিত হয়। উদাহরণ-রামঃ বললে ক্রিয়াপদটি গচ্ছতি হবে। ত্বং বললে ক্রিয়াপদটি গচ্ছসি হবে। অহং বললে ক্রিয়াপদটি গচ্ছামি হবে। অহং চন্দ্রং পশ্যামি এখানে চন্দ্রং পদটি কর্মপদ এবং প্রথম পুরুষ। তাই চন্দ্র পদের পুরুষ অনুযায়ী ক্রিয়াপদের পুরুষ নির্ধারিত হয় না।

5. লঙ্ ল-কারের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর:- লঙ্ ল-কারের দুটি বৈশিষ্ট্য হল-(১) গতরাত্রির শেষ অর্ধভাগের আগের ঘটনার ক্ষেত্রে ধাতুর উত্তর লঙ্ হয়। যেমন, বালকঃ বিদ্যালয়ম্ অগচ্ছৎ। (২) মাশ্ম শব্দের যোগে ধাতুর উত্তর সর্বকালে লঙ্ হয়। লঙ্ ল-কারও হয়। মাশ্ম ভবৎ দুঃখম্। অর্থ হল দুঃখ না আসুক। (অভবৎ-এ অকারটি অন্য নিয়মে লুপ্ত হয়েছে)।

6. ধাতুগুলিকে কয়টি গণে ভাগ করা হয়েছে? দুটি গণের নাম লেখো।

উত্তর:- ধাতুগুলিকে দশটি গণে ভাগ করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি গণ হল-ভবাদি, অদাদি।

10. লঙ্ বলতে কী বোঝ?   উত্তর:- লঙ্ বলতে অতীত কালকে বোঝায়।

11. পরম্মৈপদী লুট্ ল-কারের মধ্যম পুরুষের বিভক্তিগুলি বচনানুযায়ী লেখো।

উত্তর:- পরম্মৈপদী লুট্ ল-কারের মধ্যম পুরুষের বিভক্তিগুলি বচন অনুসারে হয়-স্যসি, স্যথঃ, স্যথ।

12. লট্ ল-কারের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর:- লট্ ল-কারের দুটি বৈশিষ্ট্য এই উল্লেখ করা যায়-(১) অতীতকালদ্যোতক অব্যয় স্ম যোগে লট্ ল-কারের প্রয়োগ হয়। যেমন, রামঃ রাবণং হন্তি স্ম। অর্থাৎ, রাম রাবণকে হত্যা করেছিল। (২) বর্তমানসামীপ্য বা ভবিষ্যৎসামীপ্য বোঝাতেও লট্ ল-কারের প্রয়োগ হয়। যেমন, অয়ম্ অহম্ অগচ্ছামি। অর্থাৎ, এই যে আমি আসছি। (আসব এই অর্থে লট্ ল-কারের প্রয়োগ হয়েছে)।

প্রত্যয়

(পূর্ণমান-2)

1. তুমুন্ প্রত্যয়ান্ত পদগুলিকে অব্যয় বলা হয় কেন?

উত্তর:- তুমুন প্রত্যয়ান্ত পদগুলিকে অব্যয় বলা হয় কারণ, বাক্যে প্রয়োগে পদগুলির রূপে কোনোরকম পরিবর্তন হয় না।

2. শতৃ ও শানচ্ প্রত্যয়কে একত্রে কী বলা হয়? এ বিষয়ে পাণিনি কী বলেছেন?

উত্তর:- শতৃ ও শানচ্ প্রত্যয়কে একত্রে ‘সৎ’ বলা হয়। এ বিষয়ে পাণিনি বলেছেন ‘তৌ সৎ’।

3. কৃৎ প্রত্যয় কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- সমাপিকা ক্রিয়াবাচক তি প্রত্যয় ছাড়া সাক্ষাৎ ধাতুর উত্তরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাদের কৃৎ প্রত্যয় বলে। উদাহরণ-কৃ + তব্য = কর্তব্য। ভূ তুমুন্ ভবিতুম।

4. কৃত্য বলতে কী বোঝ? কোন্ কোন্ অর্থে কৃত্য হয়?

উত্তর:- কৃৎ প্রত্যয়গুলির মধ্যে তব্য, অনীয়, ণ্যৎ, যৎ, এবং ক্যপ্-এই পাঁচটি প্রত্যয়কে কৃত্য প্রত্যয় বলা হয়েছে। ঔচিত্য, আদেশ, অনুজ্ঞা, যোগ্যতা ও ভবিষ্যৎ কাল বোঝাতে কর্মবাচ্যে এবং ভাববাচ্যে ধাতুর উত্তরে কৃত্য প্রত্যয়ের ব্যবহার হয়।

5. কোন্ বাচ্যে অনীয় প্রত্যয় হয়? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- কর্মবাচ্যে এবং ভাববাচ্যে অনীয় প্রত্যয় হয়। যথা-কর্মবাচ্যে-ময়া বেদঃ পঠনীয়ঃ। ভাববাচ্যে- ন হসনীয়ম্।

6. উপসর্গহীন ধাতুর উত্তর যৎ প্রত্যয়ের দুটি প্রয়োগ দেখাও।

উত্তর:- উপসর্গহীন ধাতুর উত্তর যৎ প্রত্যয়ের দুটি প্রয়োগ হল-দা যৎ = দেয়। শক্ + যৎ শক্য।

7. কোন্ কোন্ বাচ্যে ণ্যৎ প্রত্যয় হয়? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- কর্মবাচ্যে এবং ভাববাচ্যে ঋকারান্ত এবং ব্যঞ্জনান্ত ধাতুর উত্তরে ণ্যৎ প্রত্যয় হয়। উদাহরণ- ধৃ + ণ্যৎ ধার্য। ত্যজ্ + ণ্যৎ = ত্যাজ্য।

8. লিঙ্গ পরিবর্তনে শতৃ প্রত্যয়ান্ত শব্দের কীরূপ পরিবর্তন হয়?

উত্তর:- শতৃ প্রত্যয়ান্ত শব্দগুলির রূপ হয়-গচ্ছৎ, হসৎ ইত্যাদি। এগুলির স্ত্রীলিঙ্গে রূপ করতে ভীপ্ প্রত্যয় যোগ করতে হয়। তবে স্বাদি এবং দিবাদি গণীয় ধাতুর শতৃ প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীলিঙ্গের রূপগুলিতে একটি ন-কারের আগম হয়। যেমন-গচ্ছন্ডী, হসন্তী ইত্যাদি।

9. তব্য ও অনীয় প্রত্যয়ের সাদৃশ্য লেখো এবং উদাহরণ দাও।

উত্তর:- তব্য ও অনীয় প্রত্যয়ের দুটি সাদৃশ্যের কথা উল্লেখ করা যায়। যেমন-(১) তব্য ও অনীয় দুটি প্রত্যয়ই ঔচিত্য, আদেশ, অনুজ্ঞা, যোগ্যতা এবং ভবিষ্যৎ কাল বোঝাতে প্রযুক্ত হয়। (২) তব্য ও অনীয় দুটি প্রত্যয়ই কর্মবাচ্যে এবং ভাববাচ্যে ধাতুর উত্তর হয়।

10. বাক্যের তুমুন্ প্রত্যয় কখন ব্যবহৃত হয়? তুমুন্ প্রত্যয়ের সংজ্ঞা বিষয়ক পাণিনির সূত্রটি লেখো।

উত্তর:- এক ক্রিয়ার জন্য অনুষ্ঠিত অন্য ক্রিয়া নিকটে থাকলে নিমিত্তবোধক ধাতুর উত্তরে তুমুন্ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। তুমুন্ প্রত্যয়ের সংজ্ঞা বিষয়ক সূত্রটি হল-“তুমুণ্ডুলৌ ক্রিয়ায়াং ক্রিয়ার্থায়াম”।

11. বাক্যে কখন নিমিত্ত ভিন্নার্থে তুমুন্ হয়? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- কাল, সময় এবং বেলা শব্দের যোগে ধাতুর উত্তরে তুমুন্ প্রত্যয় হয়। যেমন- কালোহয়ং বিদ্যালয়ং গন্তুম্। অয়ং খলু স্নাতুং সময়ঃ। উপস্থিতা বেলা গন্ডুম্।

12. তুমুন্ প্রত্যয়ের ম্ কখন লোপ হয়?

উত্তর:- কাম ও মনস্ শব্দ পরে থাকলে তুমুন্ প্রত্যয়ের ম্-এর লোপ হয়। যেমন-গন্তুকামঃ, গন্ডুমনাঃ।

13. ভবিষ্যৎকালে কোন্ অর্থে ক্যপ্ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- ভবিষ্যৎকালে উচিত অর্থে ক্যপ্ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ- বিষ্যুঃ স্তূত্যঃ।

14. উপসর্গ বিষয়ে যৎ ও ণ্যৎ প্রত্যয়ের নিয়মটি লেখো।

উত্তর:- উপসর্গহীন গদ্‌, মদ্‌, চর্ ও যম্ ধাতুর উত্তরে যৎ প্রত্যয় হয়। যেমন-গদ্‌ + যৎ গদ্য, মদ্‌ যৎ মদ্যা, চর্ + যৎ চর্য, যম্+যৎ=যম্য। কিন্তু উপসর্গ-যুক্ত হলে এই ধাতুগুলির উত্তর ণ্যৎ প্রত্যয় হয়, রূপ হয়-নিগাদ্য, প্রমাদ্য, বিচার্য, নিযাম্য।

15. প্রত্যয় কাকে বলে? প্রত্যয় কতপ্রকার ও কী কী?

উত্তর:- ধাতু এবং প্রাতিপদিকের উত্তরে যা যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। প্রত্যয় পাঁচপ্রকার-বিভক্তি, কৃৎ, তদ্ধিত, স্ত্রীপ্রত্যয় এবং ধাত্ববয়ব।

16. কালবাচক শব্দের যোগে তুমুন্ প্রত্যয়ান্ত পদের বাক্যে প্রয়োগ করো।

উত্তর:- কালবাচক শব্দের যোগে তুমুন্ প্রত্যয়ান্ত পদযুক্ত একটি বাক্য হল-সময়ঃ অয়ং বিদ্যালয়ং গম্ভুম্।

17. শতৃ ও শানচ্ প্রত্যয়ের দুটি সাধারণ নিয়ম লেখো।

উত্তর:- (১) লট্ বিভক্তির স্থানে পরস্মৈপদী ধাতুর উত্তরে শতৃ এবং আত্মনেপদী ধাতুর উত্তরে শানচ্ প্রত্যয় হয়। যেমন ইম্ + শতৃ = ইচ্ছৎ, জন্ + শানচ্ = জায়মান। (২) নিন্দা অর্থে মাত্ শব্দযোগে ধাতুর উত্তরে শতৃ ও শানচ্ প্রত্যয় হয়। যেমন-মা জীবন যঃ পরাবজ্ঞদুঃখদগ্ধোহপি জীবতি। (অন্যের অবজ্ঞার দুঃখে দগ্ধ হয়েও যে বেঁচে আছে তার বেঁচে থেকে কোনো লাভ নেই)। আত্মনেপদী ধাতু হলে শানচ্ প্রত্যয়ের প্রয়োগ হবে।

18. শতৃ ও শানচ্ প্রত্যয়ের একটি সাদৃশ্য ও একটি বৈসাদৃশ্য লেখো।

উত্তর:-  শতৃ ও শানচ্ প্রত্যয়ের একটি সাদৃশ্য হল-দুটি প্রত্যয়ই লট্ বিভক্তির স্থানে ব্যবহৃত হয়।অর্থাৎ করছে, খাচ্ছে, যাচ্ছে এইরকম ঘটমান অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন-গচ্ছন্ পশ্যতি।শয়ানঃ কথয়তি।আর একটি বৈসাদৃশ্য হল, পরস্মৈপদী ধাতুর উত্তরে শতৃ প্রত্যয় হয়।কিন্তু শানচ্ প্রত্যয় আত্মনেপদী ধাতুর উত্তরে প্রযুক্ত হয়।যেমন-গম্+শতৃ=গচ্ছৎ, শী শানচ্ শয়ান।

19. শতৃ ও শানচ্ প্রত্যয়ের প্রয়োগকালে প্রত্যয়দ্বয়ের কোন্ অংশ ইৎ হয়?

উত্তর:- শতৃ প্রত্যয়ের প্রয়োগকালে শ এবং ঋ-কার ইৎ হয়, থাকে অৎ। আর, শানচ্ প্রত্যয়ের প্রয়োগকালে শ্ এবং চ্ ইৎ হয়, থাকে আন।

আরোও পড়ুন

Leave a Comment